Home / Health / আজীবনের জন্য চুল পড়া বন্ধ করুন মাত্র ১টি পাতা দিয়েই! সবচেয়ে সহজ প্যাক আর মাত্র ৭দিনেই ফলাফল

আজীবনের জন্য চুল পড়া বন্ধ করুন মাত্র ১টি পাতা দিয়েই! সবচেয়ে সহজ প্যাক আর মাত্র ৭দিনেই ফলাফল

তেজপাতা এক প্রকারের উদ্ভিদ, যার পাতা মসলা হিসাবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নামঃ Cinnamomum tamala। এই গাছটি মূলত ভারত,নেপাল,ভুটান ও চীনের।গাছটি ২০ মিটারের বেশি লম্বা হতে পারে।চুল পড়া (hair fall)কমাতে তেজপাতার গুণাগুণ অপরিসীম । চুল পড়া (hair fall)কমাতে তেজপাতা যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

তেজপাতার গুনাগুণ তেজপাতা অরুচি দূর করে। মাড়ির ক্ষত দূর করে। এর বাকল থেকে যে সুগন্ধি তেল পাওয়া যায় তা সারান উৎপাদনে কাজে লাগে। ঘামাচি সারায় তেজপাতা ব্যবহার হয়।

পদ্ধতিঃ ১। ১৫ থেকে ২০ টি তেজপাতা নিবেন, ১ লিটার পানিতে ফুটাতে থাকবেন ২০ থেকে ২৫ মিনিট পানি ফুটানোর পরে যে পানিটা হবে সেই পানির মিশ্রন আপনার চুলে লাগাবেন এবং চুলে লাগানোর পরে আপনি ৫০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন। করার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেনবেন। এভাবে যদি আপনি প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে তেজপাতার রস চুলে লাগান তাহলে আপনার চুল পড়া (hair fall)সমস্যা কমে যাবে।

চুলের গ্রোথ বাড়ানোর ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন ২। ১০-১২ টি কাচা তেজপাতা পাটায় বেঁটে তার সাথে আধা কাপ পানি মিশিয়ে চুলে লাগান ১-২ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন এই পদ্ধতি ও ভালো কাজে দিবে।
তেজপাতা তে ফলিক এসিড ও গ্লুটামিন প্রচুর পরিমাণ থাকে যার কারনে তেজপাতার ব্যাবহারে চুল পড়া (hair fall)কমে।ও চুল তাড়াতাড়ি বড় হয়।

চুল পড়া (hair fall)কমাতে আরো ২ টি টিপসঃ দুটি পদ্ধতির কথা বলবো আমি যা উপকারী—- চুলের গোঁড়ায় হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তবে নতুন চুল (hair)গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়। এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ নিতে পারেন। যে জায়গায় বেশি চুল (hair) পড়ে যাচ্ছে, তাতে বেশি মনোযোগ দিন।

এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন। ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে। আরেকটি পদ্ধতি হল মেডিকেশন । চুলের জন্য ওষুধ। অনেক গবেষণার পর ফেনাস্টেরাইড আর মিনোক্সিডিল নামের দুটো ওষুধ চুল গজানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। দুটি ওষুধের-ই সাইড ইফেক্ট আছে। মিনোক্সিডিল এর দুইটা কনসেনট্রেশন পাওয়া যায়। ২% আর ৫%। ২% মিনোক্সিডিল মেয়েদের (girl) জন্য আর ৫% মিনোক্সিডিল ছেলেদের জন্য।

এটা বাজারে জেনোগ্রো নামে পাওয়া যায়। স্প্রে করে মাথার স্ক্যাল্পে দিতে হয়।খাদ্যাভ্যাসঃ ০১. প্রোটিনঃ পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন – আমাদের চুল (hair)মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল (hair)গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন।

তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। ০২. আয়রন আর জিঙ্কঃ আয়রন আর জিঙ্ক আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে নিতে সহায়তা করবে আর নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক নতুন এবং দ্রুত চুল (hair)গজানোর জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান।

০৩. ভিটামিন সিঃ পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের(hair) বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক। ০৪. কালোজিরাঃ কালোজিরা নতুন চুল (hair)গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।এই পদ্ধতি ছাড়াও আপনাকে খাদ্যাভ্যাস আর কিছু সাধারণ যত্ন নিতে হবে।

আপু রাতে ও ঠিকমতো আমাকে মজা দিতে পারেনা… দেখুন আপু 2015 সালের সেপ্টেম্বরের 10 তারিখে আমার বিয়ে হয় পারিবারিক (family) ভাবেই৷ বাসর রাত থেকে শুরু করে তার সমস্যা (problem)। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার স্বামী এর মধ্যে একদিনের জন্যও আমাকে তৃপ্ত (happy) করতে পারেনি৷ আমি প্রথমে ভাবতাম পরে ঠিক হবে কিন্তু হচ্ছে না৷

আমি যখনই মানুষিক ভাবে প্রস্তুতি নেই তার সাথে মিলিত হবার আর এর মাঝে কিছু করার আগেই সে বীর্যপাত করে নিথর হয়ে যায়৷ আমি তাকে সব বুঝিয়ে বলার পর ও সে পারে না৷ এখন এই অবস্থার কথা আমি কাউকে বলতেও পারছি না লজ্জায় আর একদিকে তার সাথে থাকতেও সমস্যা (problem) হচ্ছে ৷ কারন এতটা প্রব্লেম কোন মেয়েই(girl) মেনে নিতে পারবেনা৷ এখন আমি আসলে কি করতে পারি? আমি কিভাবে এর থেকে পরিত্রান পেতে পারি? এখন যদি কাউকে কিছু না জানিয়ে তাকে ডিভোর্সের কথা বলি তাহলে সবাই আমাকেই খারাপ ভাববে ৷ আমি ভাবছি আমার দোষ না থাকা স্বত্বেও কোন ছেলের সাথে যেহেতু সম্পর্ক (relation) রাখতে পারেনি সেহেতু বিয়ের পর যদি স্বামীর সাথেও দীর্ঘ মেয়াদী সম্পর্ক (relation) না হয় তখন আমার পরিস্থিতি কি হবে এই কথা ভেবে আমার ঘুম পর্যন্ত আসেনা…

আর আমি সবাইকে ব্যাপারটা জানাবোই বা কিভাবে?? প্লিজ আপু বা ভাইয়া খুব প্রব্লেমে আছি আশা করি ভাল একটা সমাধান দিবেন। ধন্যবাদ পরামর্শঃ বিভিন্ন কারনে এমন সমস্যা হতে পারে তাই তোমাকে যথেষ্ট পরিমাণ ধৈর্য্য ধরতে হবে, অতিদ্রুত ভালো একজন ডাক্তারের পরামর্শ (advice) নাও আশা করি খুব তারাতারি ঠিক হয়ে যাবে আর সাময়িকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে ডিভোর্সের চিন্তা ভুলেও মাথায় এনোনা।

Check Also

শিশুরা খেতে না চাইলে কি করবেন

সিটিভি নিউজ।। লাইফ স্টাইল।। বেশিরভাগ মায়েরই অভিযোগ—বাচ্চা খেতে চায় না। অনেক ক্ষেত্রেই এ বিষয়ে মা-বাবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *