Breaking News
Home / Health / ম্যাজিকের মত ভ্যানিশ হবে কনুই ও হাঁটুর কালো দাগ! রইল ঘরোয়া প্রতিকারগুলি

ম্যাজিকের মত ভ্যানিশ হবে কনুই ও হাঁটুর কালো দাগ! রইল ঘরোয়া প্রতিকারগুলি

নিজেকে সার্বিকভাবে সুন্দর করতে সকলেই চায়। সার্বিকভাবে সুন্দর বলতে শুধুই মুখের সৌন্দর্য নয় গোটা শরীরের যত্ন নিয়ে দাগহীন ও উজ্জ্বল হওয়াকে বোঝায়। অনেকেরই হাতের কনুই ও হাঁটুতে কালচে দাগ (dark spot in elbow and knee) হয়ে যায়। যেটা খুব একটা দেখতে ভালো লাগে না। অনেকেই এই কালচে দাগ থেকে মুক্তি পেতে চান। এমনকি কালচে দাগগুলি লুকানোর জন্য অনেকেই সর্বদা ফুল হাতা জামা পরে বাইরে বেরোন।

তবে আর নয়, কারণ আজ বংট্রেন্ডের পর্দায় আপনাদের জন্য এমন কিছু ঘরোয়া উপায় নিয়ে এসেছি যেগুলো ম্যাজিকের মত কাজ করবে এই কালচে দাগ দূর করতে। আর আপনি বাড়িতে বসেই মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে কনুই ও হাঁটুর কালচে দাগের থেকে মুক্তি পেতে পারেন। চলুন এবার দেখে নেওয়া যাক পদ্ধতিগুলি :

একটি পাতিলেবুকে কেটে অর্ধেক করে নিন। এরপর সেটাকে কনুইয়ে ভালো করে ঘষে নিয়ে ১০-১৫ মিনিট সময় দিন শুকানোর জন্য। ব্যাস এটুকুই করতে হবে আর শুকিয়ে যাবার পর ভালো করে ধুয়ে অল্প ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন তাহলেই কিছুদিনের মধ্যেই কালচে দাগ দূর হয়ে যাবে।

অনেক সময় সূর্যের রোদও কালচে দাগের কারণ হতে পারে। তাই চাইলে কনুইয়ে মুখের মত সানস্ক্রিনের ব্যবহার করতে পারেন।

আপনিকি জানেন দুধ ও হলুদ একসাথে ব্লিচের কাজ করে! এইভাবে দুধ আর হলুদ একত্রে মিশিয়ে সেটাকে কনুইয়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন। এরপর ব্লিচটিকে কাজ করার জন্য ২৫-৩০ মিনিট সময় দিন। তবে ব্লিচের সাথে মধু যোগকরতে পারেন এতে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবেশেষে ভালো করে ধুয়ে নিন।

রান্নাঘরে থাকা খাবার সোডা আর সামান্য জল মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর সেটাকে হাঁটুর কালচে হয়ে যাওয়া স্থানে মেখে ৫-৮ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

রাতে শুতেযাবার আগে অল্প একটু অলিভ অয়েল নিয়ে হাঁটুতে লাগিয়ে শুতে হলে যান। সপ্তাহে দুদিন এইভাবে করতে থাকুন দেখবেন ধীরে ধীরে হাঁটুর কালো দাগ ভ্যানিশ হয়ে যাবে।

মধু আর ওটস দিয়ে স্ক্র্যাবার তৈরী করে ফেলুন। ২ চামচ মধু আর ২ চামচ ওটস মিশিয়ে নিলেই স্ক্র্যাব তৈরী হয়ে যাবে এটাকে হাঁটুতে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Check Also

লজ্জাবতী গাছের ঔষধি গুণাবলী জেনে অবাক হবেন!

লজ্জাবতী। আবার কেউ কেউ এক বলেন লাজুক লতা। পরিচয় বর্ষজীবি গুল্ম আগাছা বা ঔষধি গাছ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *