Breaking News
Home / Health / শরীরে অক্সিজেন লেভেল ঠিক রাখতে তুলসী ও লবঙ্গের এই মিশ্রণটি সেবন করুন, জেনেনিন পদ্ধতি

শরীরে অক্সিজেন লেভেল ঠিক রাখতে তুলসী ও লবঙ্গের এই মিশ্রণটি সেবন করুন, জেনেনিন পদ্ধতি

করোনাভাইরাস ফুসফুসে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। অতএব এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাতে আপনার ফুসফুস গুলি শক্তিশালী থাকে এবং সংক্রমণে আক্রান্ত না হয়। আপনার ফুসফুসকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে নিচের প্রতিকার গুলি দেখুন। এই প্রতিকার গুলি করার মাধ্যমে ফুসফুস গুলি শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে।

তুলসী এবং লবঙ্গের একটি মিশ্রণ ফুসফুসের জন্য ভালো বলে মনে করা হয় এবং এর সাহায্যে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তুলসী এবং লবঙ্গ এর মিশ্রন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকার। এর জন্য আপনাকে পরিষ্কার তুলসী পাতা এবং লবঙ্গ নিয়ে এটিকে পেশায় করে নিতে হবে এবং এই মিশ্রণটি প্রতিদিন পান করতে হবে। আপনি যদি চান এতে কিছুটা হলুদ মেশাতে পারেন।

ফুসফুসকে শক্তিশালী করতে অবশ্যই লিকার এবং গোলমরিচের মিশ্রণটি ব্যবহার করতে হবে। এই মিশ্রণটি তৈরি করতে কালো মরিচ এবং লবঙ্গ প্রয়োজন এবং তারপরে চার-পাঁচটি তুলসীপাতা এবং সামান্য চিনি এবং দারুচিনি প্রয়োজন। প্রয়োজনে আপনি এটাকে পেশায়ও করে নিতে পারেন। এই মিশ্রণটি প্রতিদিন খেলে ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে যায়।

শুধু তাই নয় এই মিশ্রণটি হাঁপানি রোগীদের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। পুদিনা পাতা কেউ ফুসফুসের জন্য উপকারী মনে করা হয়। এটি খেলে দেহে পটাশিয়াম, আয়রন ক্লোরোফিল, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি জাতীয় উপাদান পাওয়া যায়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পুদিনা পাতা খাওয়া অনেক রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

তুলসী পাতা ও ফুসফুসের জন্য খুবই উপকারী। তুলসী পাতার চা ও শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। চায়ের সাথে তুলসী পাতা ফুটিয়ে নিয়ে সেই চা পান করা খুবই ভালো বলে বিবেচিত হয়। লবঙ্গের বৈশিষ্ট্যগুলি আমরা কমবেশি সবাই জানি। এটি গ্রহণের মাধ্যমে পাচনতন্ত্র, হার্ট, ফুসফুস, লিভার সুস্থ থাকে।

লবঙ্গতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শরীরকে ভাইরাস থেকে রক্ষা করে তাই প্রতিদিন লবঙ্গ খাওয়া উচিত। দারুচিনি ও ফুসফুসের জন্য খুবই উপকারী। এটি থাইমিন, ফসফরাস, সোডিয়াম, ভিটামিন ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, নিয়াসিন, শর্করা সমৃদ্ধ। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস যা ফুসফুস সুস্থ রাখে।

আয়ুর্বেদে হলুদ খাওয়া কে সেরা রোগ নিরাময়ের হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিদিন হলুদের দুধ পান করলে ফুসফুস শক্তিশালী হয়। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে পান করা উচিত। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হলুদ খাওয়ার মাধ্যমে এ রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকে।

Check Also

মুখের গন্ধ দূর করার সাথে ১০ অসুখ ভালো হবে পান খেলে

পান পাতায় উপস্থিত একাধিক উপাদান নানাবিধ রোগের প্রকোপ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *