Home / Health / খালি পেটে ডাবের পানি খেলে হা’র্টের এই রোগ গুলো আর কখ’নো হবে না!

খালি পেটে ডাবের পানি খেলে হা’র্টের এই রোগ গুলো আর কখ’নো হবে না!

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে সারা বছর ধ’রে যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রো’গ শ’রীরের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, ডাবের পানিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শ’রীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে।

এইসব উপাদানই আমাদের বেঁ’চে থাকার জন্য প্রয়োজন । তাই নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া শুরু ক’রতে পারেন। এমনটা করলে কয়েক দিনের মধ্যেই দেখবেন নানাবিধ উপকার মিলবে। যেমন ধ’রুন…

১. হাড়ের স্বা’স্থ্যের উন্নতি ঘ’টে: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ডাবের পানিতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, হাড়কে শক্ত-পোক্ত করে তোলার পাশাপাশি হাড়ের স্বা’স্থ্যের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে। প্রসঙ্গত,ডাবে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও এক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। বুড়ো বয়সে যদি নানাবিধ হাড়ের রো’গে আক্রা’ন্ত হতে না চান, তাহলে সকাল সকাল উঠে এক গ্লাস ডাবের পানি খান।

২. শ’রীরকে বিষমু’ক্ত করে: দে’হের প্রতিটি কোণায় উপস্থিত ক্ষ’তিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ডাবের পানি খেলে নানাবিধ রো’গ যেমন শ’রীরের ধারে কাঁছে ঘেঁষতে পারে না, তেমনি সার্বিকভাবে শ’রীরিক ক্ষ’মতাও বৃ’দ্ধি পায়।

৩. ব্লাড সুগারকে নি’য়ন্ত্রণে চলে আসে: ২০১২ সালে হওয়া জার্নাল ফুড অ্যান্ড ফাংশন স্টাডিসে দেখা গিয়েছিল ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের ক’র্মক্ষ’মতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বা’ভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নি’য়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই তো রোজে’র ডায়েটে ডাবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরাম’র্শ দিয়ে থাকেন চিকি’ৎসকেরা।

৪. কি’ডনির ক্ষ’মতা বাড়ে: প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কি’ডনির ক’র্মক্ষ’মতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে। সেই স’ঙ্গে শ’রীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের স’ঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রো’গে আক্রা’ন্ত হওয়ার আশ’ঙ্কাও কমায়।

৫. পানির ঘাটতি মেটে: ডাবের পানি শ’রীরের ভেতরে প্রবেশ করা মাত্র পানির ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই স’ঙ্গে এতে উপস্থিত ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরি’ক্ত ঘামের পর শ’রীরের ভি’তরে খনিজে’র ঘাটতি মে’টাতেও বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে। এই কারণে গরমকালে ডাবকে রোজে’র সঙ্গী করার পরাম’র্শ দিয়ে থাকেন চিকি’ৎসকেরা।

৬.শ’রীর এবং ত্বকের উজ্জলতা বাড়ে : খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শ’রীরের বয়স কি ধ’রে রাখতে চান? তাহলে আজ থেকেই খালি পে’টে ডাবের পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন! আ’সলে ডাবের পানিতে রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শ’রীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই স’ঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে।

৭. ব্লাড প্রেসারের মতো রো’গ দূ’রে থাকে: ডাবের পানিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম র’ক্তচা’পকে নি’য়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে। স’ম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিকেল জা’নার্লে প্র’কাশিত একটি গবেষণা অনুসারে পটাশিয়াম শ’রীরে নুনের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে স্বা’ভাবিক রাখে।

এই কারণেই তো যাদের পরিবারে এই মা’রণ রো’গটির ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া উচিত। একই নিয়ম যদি র’ক্তচা’পে ভোগা রো’গীরাও মেনে চলেন, তাহলেও দারুন উপকার মেলে।

৮. ওজন হ্রাসে পায়: ডাবের পানিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হ’জম ক্ষ’মতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভাল ভাবে হ’জম হয়ে যায় যে শ’রীরের অন্দরে হ’জম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমা’র সুযোগই পায় না।

ফলে ওজন কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, ডাবের পানি শ’রীরে লবনের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে ওয়াটার রিটেনশন বেড়ে গিয়ে ওজন বৃ’দ্ধির আশ’ঙ্কাও হ্রাস পায়।

৯. রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতার উন্নতি ঘ’টে: রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শ’রীরের ভেতরে শ’ক্তি এতটা বৃ’দ্ধি পায় যে জী’বাণুরা কোনওভাবেই ক্ষ’তি করার সুযোগ পায় না। সেই স’ঙ্গে ডাবের পানি উপস্থিত অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সং’ক্রমণের হাত থেকে বাঁ’চাতেও বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে।

১০. হার্টের স্বা’স্থ্যের উন্নতি ঘ’টে: শ’রীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বা’স্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, দে’হে ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হ’ঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশ’ঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

১১. মাথা য’ন্ত্রণার প্রকোপ কমে: ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা য’ন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘ’টনা ঘটলে শীঘ্র এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নেবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। আ’সলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, এই ধ’রনের শা’রীরিক স’মস্যার চিকিৎ’সায় বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে।

Check Also

চোখকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত করুন এই ৩টি ব্যায়াম

আমরা বাহু, পা, পেট এমনকি পিঠের ব্যায়াম করি। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবেছি চোখের ব্যায়ামের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *