Breaking News
Home / Health / কখন যমজ সন্তানের জন্ম হয়? আমি ইচ্ছা করলেই কি যমজ সন্তান নিতে পারব?

কখন যমজ সন্তানের জন্ম হয়? আমি ইচ্ছা করলেই কি যমজ সন্তান নিতে পারব?

যদি দুটি ডিম্বাশয় থেকেই একটি করে ডিম্বাণু একই সময়ে নির্গত হয়, তবে ওভ্যুলেশন পিরিয়ডে তার শরীরে মোট দুটি ডিম্বাণু থাকে। এসময় মিলন হলে পুরুষের শুক্রাণু উভয় ডিম্বাণুকেই নিষিক্ত করে। এভাবেই নন-আইডেন্টিক্যাল টুইন শিশুর জন্ম হয়। এসব শিশু সবসময় একই লিঙ্গের নাও হতে পারে এবং তারা দেখতে ভিন্ন হয়।

প্রতি ৬৫ জনে একজন মায়ের সাধারণ প্রক্রিয়াতেই দুটি যমজ সন্তান হতে পারে। মায়ের পরিবারে কেউ যমজ থেকে থাকলে এর সম্ভাবনা বেশি থাকে। প্রতি ১০,০০০ এ একজন মায়ের তিনটি টুইন শিশু হতে পারে। চারটি যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম। তবে বর্তমান সময়ে নিঃসন্তান দম্পতিদের চিকিৎসার অগ্রগতির কারণে টুইন শিশু হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে গেছে।

কখন যমজ সন্তানের (Twin children) জন্ম হয়? আমি ইচ্ছা করলেই কি যমজ সন্তান নিতে পারব? এমন ইচ্ছাটা অনেকেরই হয়ে থাকে। আপনি চাইলেই হয়ত যমজ সন্তান (Twin children) নিতে পারবেন না তবে প্রক্রিয়াটি জেনে রাখতে পারেন। যমজ সন্তান (Twin children) কখন হয়? একটি নিষিক্ত ডিম্বাণু প্রথমে দুইটি পৃথক কোষে বিভক্ত হয়। পরবর্তীতে প্রতিটি কোষ থেকে একেকটি শিশুর জন্ম হয়। এভাবেই অভিন্ন যমজ শিশুর (আইডেন্টিক্যাল টুইন) জন্ম হয়। এখানে দুটি কোষ যেহেতু পূর্বে একটি কোষ ছিল, তাই এদের সব জীন একই হয়ে থাকে। একারণে এরা দেখতে অভিন্ন হয় এবং একই লিঙ্গের হয়।

যেসব যমজ শিশু দেখতে অভিন্ন হয়, তারা আসলে ‘নন আইডেন্টিক্যাল টুইন’। মায়ের দেহে সাধারণত একই সময়ে একটি মাত্র ডিম্বাণু দুটি ডিম্বাশয়ের যে কোনও একটি থেকে নির্গত হয়। যদি দুটি ডিম্বাশয় থেকেই একটি করে ডিম্বাণু একই সময়ে নির্গত হয়, তবে ওভ্যুলেশন পিরিয়ডে তার শরীরে মোট দুটি ডিম্বাণু থাকে। এসময় মিলন হলে পুরুষের শুক্রাণু উভয় ডিম্বাণুকেই নিষিক্ত করে। এভাবেই নন-আইডেন্টিক্যাল টুইন শিশুর জন্ম হয়। এসব শিশু সবসময় একই লিঙ্গের নাও হতে পারে এবং তারা দেখতে ভিন্ন হয়।

প্রতি ৬৫ জনে একজন মায়ের সাধারণ প্রক্রিয়াতেই দুটি যমজ সন্তান (Twin children) হতে পারে। মায়ের পরিবারে কেউ যমজ থেকে থাকলে এর সম্ভাবনা বেশি থাকে। প্রতি ১০,০০০ এ একজন মায়ের তিনটি যমজ সন্তান হতে পারে। চারটি যমজ সন্তান (Twin children) হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম। তবে বর্তমান সময়ে নিঃসন্তান দম্পতিদের চিকিৎসার অগ্রগতির কারণে যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে গেছে।

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা –
• গর্ভধারণের শুরু থেকেই বেশি বেশি শরীর খারাপ লাগতে থাকলে
• গর্ভাবস্থায় পেটের আয়তন স্বাভাবিক নিয়মের তুলনায় বেশ বাড়লে
• পরিবারে কেউ যমজ থাকলে
• চিকিৎসার মাধ্যমে নিঃসন্তান মায়েরা যখন গর্ভধারণ করেন

গর্ভধারণের দু-মাসের মাথায় আল্ট্রা সাউন্ড পরীক্ষায় যমজ সন্তান (Twin children) হবে কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়। অভিন্ন যমজ কিনা তাও এসময় বলা যেতে পারে। না পারা গেলে পরবর্তী সময়ে আবার পরীক্ষা করিয়ে জেনে নেওয়া যায়।

আপনার গর্ভে যমজ সন্তান (Twin children) থাকলে অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কেননা যমজ শিশুর জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষত অপরিপক্ক শিশু হওয়ার একটা আশংকা থেকেই যায়। অভিন্ন যমজ হলে ১৬ সপ্তাহের পর প্রতি ২-৩ সপ্তাহ অন্তর আল্ট্রাসাউন্ড করা ভাল, অভিন্ন না হলে ৪ সপ্তাহ অন্তর। যমজ সন্তান(Twin children) হলে সিজার করাটাই নিরাপদ। কিন্তু স্বাভাবিক উপায়ে সন্তানের জন্ম দিতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Check Also

মুখের গন্ধ দূর করার সাথে ১০ অসুখ ভালো হবে পান খেলে

পান পাতায় উপস্থিত একাধিক উপাদান নানাবিধ রোগের প্রকোপ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *